কিশোরগঞ্জ জেলার ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ এবং প্রাচীন। প্রাচীনকালে এটি কামরূপ রাজ্যের অংশ ছিল এবং পাল, বর্মণ ও সেন রাজবংশরা এই অঞ্চল শাসন করেছেন। ষষ্ঠ শতকে, শ্রী কৃষ্ণদাস প্রামাণিকের ছেলে নন্দকিশোর ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে একটি গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন, যা “কিশোরগঞ্জ” নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৮৬০ সালে এটি মহকুমা হিসেবে এবং ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- প্রাচীনকাল: কিশোরগঞ্জ প্রাচীন কামরূপ রাজ্যের অংশ ছিল এবং পাল, বর্মণ ও সেন রাজবংশরা এই অঞ্চলের কিছু অংশ শাসন করেছিল।
- প্রতিষ্ঠা: ষষ্ঠ শতকে, নন্দকিশোর ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে একটি গঞ্জ স্থাপন করেন, যা “কিশোরগঞ্জ” নামে পরিচিতি লাভ করে।
- প্রশাসনিক ইতিহাস: ১৮৬০ সালে এটি ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা হিসেবে গঠিত হয় এবং ১৯৮৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
গুরুত্বপূর্ণ স্থান:
- জঙ্গলবাড়ি দুর্গ: এটি ঈশা খাঁ কর্তৃক নির্মিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- শোলাকিয়া ঈদগাহ: এটি উপমহাদেশের বৃহত্তম ঈদগাহগুলির মধ্যে অন্যতম।
- পাগলা মসজিদ: একটি বিখ্যাত মসজিদ।
- গাংগটিয়ার জমিদার বাড়ি (মানব বাবুর বাড়ি)।
অর্থনীতি:
- কিশোরগঞ্জের অর্থনীতি মূলত হাওর অঞ্চলের উপর নির্ভরশীল।
- এখানে ধান, পাট, ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে।
দর্শনীয় স্থান:
- কিশোরগঞ্জ জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বিশেষ করে হাওর-বাওরের জন্য সুপরিচিত।
- নরসুন্দা নদী এই জেলার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
